এখন থেকে কৃষি ও পল্লী ঋণের ক্ষেত্রে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) চার্জ নিতে পারবে না ব্যাংকগুলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ গতকাল এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, ব্যাংকগুলোর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় (যেখানে এনজিও বা এমএফআই যুক্ত নয়) কৃষি ও পল্লী ঋণ দেয়ার সময় গ্রাহকের কাছ থেকে সিআইবি রিপোর্টের ফি নেয়া যাবে না।
এর আগে ব্যাংকগুলোকে এ চার্জ মওকুফের সুযোগ দিলেও অনেক প্রতিষ্ঠান তা ঠিকমতো অনুসরণ করেনি। আবার কৃষি ঋণ ঘোষণার পরে ব্যাংকগুলো এক্ষেত্রে যৎসামান্য চার্জ আদায়ের জন্য চিঠি দিয়েছিল। তাদের আবেদন নামঞ্জুর করে আগের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
নতুন প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কৃষি ও পল্লী ঋণে নির্ধারিত সুদ ছাড়া আর কোনো ধরনের চার্জ, প্রসেসিং ফি বা মনিটরিং ফি নেয়া যাবে না। মূলত বাংলাদেশ ব্যাংক কৃষকদের ঋণপ্রাপ্তি সহজ করতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা অবিলম্বে কার্যকরের কথা বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১২ আগস্ট ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য কৃষি ও পল্লী খাতে ৩৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেখানে নিজস্ব নেটওয়ার্কে বিতরণ করা যেকোনো ঋণের জন্য সিআইবি রিপোর্ট বাধ্যতামূলক করা হয়। তবে আড়াই লাখ টাকার নিচে কৃষি ঋণ আবেদন বা নবায়নের ক্ষেত্রে সিআইবি রিপোর্টের সার্ভিস চার্জ মওকুফ করার বিধান রাখা হয়।